ফ্ল্যাপের কথা উপেক্ষা করেই বইটি পড়লাম, কিছুটা অটোবায়োগ্রাফি হিসেবেই পড়লাম কারণ লেখক ও প্রধান চরিত্রর মিল খুবই বেশি, শেষের চিঠিটা পড়লেই বুঝা যায় এটি হুমায়ূন আহমেদ গুলতেকিনকেই লিখছিলেন
তিনটার মধ্যে তিনটাই খুব ভাল লেগেছে, Each shines in their own way. চোখ: Mystery element was best out of three stories.জ্বীন কফিল: Horror element was the best of the three stories. And lastly *সঙ্গিনী: Emotional element was the best of the three stories. The ending was oddly wholesome
i really enjoyed it to the end. কি হবে তা ধরতে পারছিলাম না, কিন্তু ৯৩-৯৬ এর দিকের একটি পেজে দুইটা লাইন পড়েই অনেক কিছু প্রেডিক্ট করে ফেললাম। তা না হলে এন্ডিংটা আরও ইনজয় করতাম। Good Read, going to pick up the 2nd book soon
হুমায়ূন আহমেদের লেখা পড়ে ভাবতাম কিভাবে এত কিছু এত গভীর ভাবে লিখতেন, কিন্তু এখন বুঝতে পারছি যার শৈশব এতটা সুন্দর ও বিচিত্রময় ছিল তার লেখায় এটির ছাপ ঠিকই পড়বে, তাই স্বাভাবিক।