
Barabbas was conceived and born in hatred of all things created in heaven and earth and of the Creator of heaven and earth.
Fatalistically Barabbas was unable to have a God. So when he got acquitted and Jesus got crucified, he tried hard to believe, to behave like a Christian but failed miserably.
Lagerkvist portrayed Barabbas as a very dynamic character. Rational yet with a deep urge to believe. Aversive of society, yet kind in his unique way. Vindictive, but not when he is under attack. Confused but his heart is in the right place.
Lagerkvist explored Barabbas, along with some other fantastic character and that's also in only a very few pages, in a concise novel which moves, both emotionally and intellectually.
এই বইটাকে আসলে আত্মজীবনী বা উপন্যাস কোনো জঁরাতেই ফেলা যায় না। কাঠামো আনকনভেনশনাল। প্রথম অংশ খাঁটি আত্মজীবনী, পরের অংশ আত্মজৈবনিক উপন্যাস। মোটের ওপর মেমোয়ার গোত্রে ফেলা হলেও খাঁটি মেমোয়ার এ নয়। যেহেতু আত্মজৈবনিক, লেখকও আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হবেন সেটাই স্বাভাবিক।
পল অস্টার আমেরিকায় ইমিগ্রান্ট ইহুদী একটি পরিবারের ৩য় প্রজন্মের মানুষ। মধ্যবিত্ত মেন্টালিটির উচ্চবিত্ত পরিবারে বড় হলেও শেষে বেছে নেন লেখালেখির মত ‘অকাজ'।
পড়তে গেলে প্রথমেই যেটা মনে হলো সেটা হচ্ছে অস্টার প্রথমত ও প্রধানত একজন কবি। তার গদ্যও ফলত কবির গদ্য— ছান্দিক, ভাবালু, কখনো-সখনো বিক্ষিপ্ত, চিন্তাশীল। ঘটনার, পরিবেশের একেকটা নতুন নতুন ইন্টারপ্রেটেশান বের হয় যা আধুনিক রিয়্যালিস্ট গদ্যে প্রায় অনুপস্থিত আজকাল (এমনকি মুরাকামির কাহিনীর ম্যাজিক-রিয়্যালিজমের নতুন অংশটা ম্যাজিক্যাল, রিয়্যালিটির নতুন ইন্টারপ্রেটেশান না)। তো সেই ইন্টারপ্রেটেশান অনেকক্ষেত্রে নতুন, অনেকক্ষেত্রে পূর্ববর্তী বুদ্ধিজীবিদের থেকে কিছুমাত্র ধার করা (একদম ক্যোট করে, অবচেতনভাবে ইকো করে নয়) এবং সবসময়ই পুরোপুরি সত্যি না হলেও হৃদয়গ্রাহী।
পড়ার পর একটা জিনিস মাথায় এলো। বোধহয় কমিউনিস্ট মেনিফেস্টো বা পুঁজি পড়ার চেয়েও জরুরি এই নাটকটা, অ্যানিম্যাল ফার্ম বা 1984 এর মত বই পড়া। একদিকে জানা দরকার বিপ্লব হয়ে গেলেই সব লা ভি এন রোজ হয়ে যায় না। অন্যদিকে জানা দরকার যে ‘শ্রেণীশত্রু খতম' ব্যাপারটা শুধুমাত্র খুন হয়ে দাঁড়াতে পারে ইন্টেলেকচুয়াল ইন্টিগ্রিটির অভাবে।
দেকার্তে সাহেবের অধিকাংশ কথাবার্তা আমার পছন্দ হয় না (যেটা আসলে মোটামুটি স্বাভাবিক)। অনেকক্ষেত্রে ইনসিনসিয়ারও লাগে। হতে পারে আমি ওনার সময়ের কনটেক্সটটা বুঝতে পারছি না, এজন্য ভুলগুলো এত সহজে চোখে পড়ে।
তবুও বলবো, আত্মা নিয়ে তার আইডিয়া খুবই বালখিল্য। প্রোভাইডেড দ্যাট তারও মিলেনিয়ামেরও বেশি আগে যখন আত্মাকে নেগেট করা শক্তিশালী দর্শন আছে।
এটা ঠিক যে লোকটার নিয়ত ভালো ছিল, এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে তার পদ্ধতি আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিকে রসদও যুগিয়েছে বোধ করি।
এই বইয়ের বিশ্লেষণ আমার মত মূর্খে সম্ভবে না। অতএব, মতামতগুলোকে খুব একটা গুরুত্বের সাথে নেওয়ার দরকার নেই।
পড়তে গিয়ে প্রথমেই যে জিনিসটা মাথায় এসেছে, সেটা হচ্ছে বইটা ট্রাকটেটাস লজিক-ফিলোসফিকাসের মত গোছানো না। মৃত্যুর কিছুদিন আগে লেখা এই বইয়ের শেষের কিছু অংশ সম্পাদকদের সংযোজন, যা হয়ত উইটজেনস্টাইন নিজেও বাদ দিয়ে দিতেন।
তো, কী নিয়ে কথা বলে এই বই? উদ্দেশ্যই বা কী?
উদ্দেশ্যটা আগে বলে নিই, ওঁনার নিজের ভাষাতেই উদ্দেশ্যটা হলো:
464. My aim is: to teach you to pass from a piece of disguised nonsense to something that is patent nonsense.
একটি আত্মজৈবনিক উপন্যাস। তবে আমার মনে হয়েছে উপন্যাসের চেয়ে আত্মজীবনীই বেশি এখানে। উপন্যাসের উসিলায় বরং নিজের মনস্তত্ত্বের এত গভীরে যাওয়া গেলো যেটা বোধকরি সাধারণভাবে কেউই বলতে সাহস করত না।
বইটা ভালো লেগেছে কয়েকটি কারণে। সমকামী ও পার্ভার্ট মন (‘এবং', সমকামী বলে পার্ভার্ট নয়) কীভাবে কাজ করতে পারে তার একটা বেশ ধারণা পাওয়া গেলো।
সেটা পাওয়া গেলো কেননা লেখক হিসেবে মিশিমা প্রচণ্ড বোল্ড, তার উপমায়, লেখার গাঁথুনিতে এবং ভাবনায়।
বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনের এই বুদ্ধিবৃত্তিক দিকটা আমার খুব পছন্দ। বিশেষ করে কোনো কিছু মেনে নিয়ে যে হৃদয়বৃত্তি চলে অন্যান্য থিওলজি ও থিওলজিক্যাল মেটাফিজিক্সে সেটার সাথে তুলনায়।
এই বইতে প্রথমত নাগার্জুন এসেনশিয়ালিজমকে একেবারেই সমূলে তুলে ফেলেছেন, এক্সিসটেনশিয়ালিস্ট কনভেনশনাল রিয়্যালিটির স্বভাব ও গুরুত্ব বুঝিয়েছেন এবং বৌদ্ধধর্মের মূলনীতিগুলোর জন্য কেন এক্সিসটেনশিয়ালিজম অপরিহার্য সেটা ব্যাখ্যা করেছেন।
অবশ্য সে ব্যাখ্যা কমেন্টারি ছাড়া বোঝা সম্ভব না, অন্তত, যাদের বৌদ্ধ দর্শনে ও ভারতীয় দর্শনের ভাষায় দক্ষতা নেই তাদের দ্বারা একেবারেই না। বলা যায় গারফিল্ডের কমেন্টারি ছাড়া এগুলো আমার মাথা ঢুকতো না।
এখনো ভাবছি বইটা নিয়ে, পরে হয়ত লিখবো বিস্তারিত।
অনেকদিন পর এমন একটা বই পড়লাম যার বক্তব্য আমার পছন্দ হয়েছে খুব আবার তা নিয়ে সন্দিহান (মানে আমার স্বভাবসুলভ সন্দেহের চেয়ে বেশি সন্দিহান)।
ড্যারো সাহেবের কথায় আর্মি ও শাসনব্যবস্থার আমাদের ক্ষতি ছাড়া আর কিছু হয় না, আইন ও শাস্তি মূলত দমনপীড়ন এবং তাতে আসলে অপরাধ কমে না। মোটের ওপর যুক্তিগুলো ঠিকই আছে। এখনকার আইনব্যবস্থা মুখে যদিও দৃষ্টান্তস্থাপন ও ন্যায়বিচারের কথা বলে কিন্তু অনেকাংশেই আসল নিপীড়নমূলক।
আমি আসলে ওঁনার যুক্তিতে তেমন একটা খুঁত পাইনি মানুষের ওপর অগাধ বিশ্বাস ছাড়া। এই একটা জিনিস আমি কোনোভাবেই আর করতে পারি না।
স্কুল-কলেজে ক্যালকুলাস মানে হচ্ছে কিছু সূত্র মুখস্ত করে পরীক্ষার খাতায় উগরে দেওয়া। ক্যালকুলাসের সৌন্দর্য, ব্যবহার ও তাৎপর্য বুঝতে আমার আরো কয়েকবছর লেগেছে।
কাজেই, একরকম ধারণা ছিল বইটি কোন পথে যাবে। কিন্তু আমার মত অ্যামেচারের বোঝাপড়ার সাথে কি আর একজন একাডেমিক গণিতজ্ঞের তুলনা চলে? ফলে গণিত ও গণিতের ইতিহাসের ভেতর দিয়ে খুব দারুণ একটা সময় কাটলো।
ছোটবেলায় রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনের জন্য লেখা টেক্সটবুক পড়ে জেনেছিলাম ১ সংখ্যাটা কোনো একটা জিনিসে নেই। রীতিমত তাজ্জব বিষয়। অ্যাবস্ট্রাকশনের সাথে পরিচয়টা ওখানেই।
তো সেইসব সংখ্যার যুক্তি ও ব্যাখ্যা বুঝতে অনেকটা সময় লেগেছে। তাতে খানিকটা কন্ট্রিবিউশন প্রোগ্রামিং-এরও। এমনকি রাসেল সাহেব লজিক ও ম্যাথেমেটিকসের যে অভিন্ন ধারা চিন্তা করেছেন, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজগুলো তাই-ই।
কেন জানি না, রাসেল-হোয়াইটহেড-উইটজেনস্টেইনের কাজ আরো প্রোফাউন্ড হলেও বাঙালি নীৎশে-কিয়ের্কেগার্ড আর আধা-মিস্টিক ফ্যালাসিমিশ্রিত মাম্বো-জাম্বোর চর্চার বেশি উদগ্রীব।
অরওয়েল পড়তে গিয়ে বেশিরভাগ মানুষ প্রথমে বড় একটা ধাক্কা খায়, তারপর পছন্দ করে। একবার পছন্দ করলে অরওয়েল আগাগোড়া পছন্দ হয়ে যায়।
এই বইয়ে আত্মজৈবনিক, ক্রিটিসিজম, কালচারাল পর্যবেক্ষণ মিলিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে প্রবন্ধ আছে। অরওয়েল তার স্বভাবসিদ্ধ তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ নিয়ে হাজির। কয়েকটি অংশ এত ভালো লেগেছিল যে অনুবাদ করতে চেয়েছিলাম। পরে ভাবলাম, অরওয়েলকে অরওয়েলের ভাষাতেই পড়া ভালো।
জ্যাজ, সম্ভবত দুনিয়ার সবচেয়ে সর্বগ্রাসী সঙ্গীত। নিউ অরলিয়েন্সের বাডি বোল্ডেন আর কিং অলিভারের মত আফ্রিকান-আমেরিকানরা খানিকটা র্যাগটাইম, খানিকটা ব্লুজ অনুপ্রাণিত হয়ে যে সঙ্গীতের ধারা সৃষ্টি করলেন, আর্মস্ট্রং পর্যন্ত মাত্র এক প্রজন্মেই তার চেহারা গেলো অনেকটা বদলে। এরা কেউ-ই হয়ত পরের যুগের বপ, কুল বা সৌল জ্যাজের কথা ভাবতে পারেননি।
শিল্পে সাধারণত ডিকটেটরশিপই চলে। ডেমোক্রেসি যদিও বা কিছু থাকে মনে হয় সবচেয়ে বেশি আছে জ্যাজেই। জ্যাজে যারা সাইডম্যান, তারা শুধু গৎবাঁধা নোট বাজিয়ে যায় না। জ্যাজের সাথে অন্য সঙ্গীতের পার্থক্য করতে গেলে এইটেই মনে হয় সবচেয়ে বড় ব্যাপার।
জ্যাজ্ শোনা যখন বাড়িয়েছি তখন একটা জিনিস খেয়াল করলাম যে দুটো মিউজিক, দুটোই জ্যাজ, কিন্তু আমার অনভ্যস্ত কানে কোনোভাবেই একটার সাথে আরেকটা মেলানো গেলো না! সে সঙ্গীতকে দোষারোপ না করে বরং নিজের জানার ঘাটতি মনে করে এই বইটি হাতে নিলাম। খুবই সুপাঠ্য বই, এবং আমি মনে করছি উদ্দেশ্য সফল। যেকোনো শিল্পের ষোল আনা (আমাদের মত লোকের ক্ষেত্রে আট আনা) উপলব্ধির জন্য ‘কনটেক্সট' জানা প্রয়োজন। এই বইটি আমায় সে দরকারি জিনিসটাই দিল। আর দিলো শোনার জন্য বিশাল তালিকা।
While I was reading this book, I was immersed in the story. Great writers, I think, craft so great that they completely hide their craftsmanship, allowing us to see the creation only. They don't show off how intelligent they are.
Now after finishing it, after letting all of it sink in my mind, I can see what a great writer she is. She has a profound knowledge of dystopian society. What sort of situation gives birth to a dystopia, how they control, manipulate, kill, invoke obedience and above all manufacturer mass consent for all of their actions.
This book is also important because of its authentic feminine voice, feminist nature.