Miss Roy has her own distinct style of writing. Combined with vibrant plot it leaves an aftertaste, somewhat bitter and melancholic in my mind. It has happened for ‘The Gods of Small Things', and it did for this book to a certain extent.

The plot (or plots?), as I've mentioned earlier is vibrant, in geography, politics, and culture. In a whole it describes, in my opinion, a dystopia that is being denied in India.

কয়েক দশকে বাঙালি যে জাতি হিসেবে কতটা জীর্ণ ও দেউলিয়া হয়ে উঠেছে তা এই বইটা পড়ে হাড়ে হাড়ে টের পেলাম। বিশ্বাস হয় না যে আমরা এমন ছিলাম। বিশ্বাস হয়না যে কর্তব্যবুদ্ধি ও দেশপ্রেম ব্যক্তিস্বার্থর চেয়েও, মায়ের ভালোবাসার চেয়েও বড় হতে পারে। জেনারেল ইয়াহিয়ার কাছে প্রাণভিক্ষা পাওয়া জীবন যে বাঁচার যোগ্য না, তা সন্তানের মত বাবা-মাও বুঝতে পারে এমনটা আমি ভাবতে পারিনি। জাহানারা ইমাম ও তার পরিবার স্যাক্রিফাইস করছেন তাঁদের জীবন, জীবনের চেয়েও বড় জিনিসের জন্য। আমরা যে এই মৃতের মত নীরবতা নিয়ে বাঁচি, এই বাঙালি সেই বাঙালি না।

জাহানারা ইমামের ব্যক্তিত্ব, তার সংকল্প ও এত বিপদের ভেতরেও চিন্তার স্বচ্ছতা আমাকে আপ্লুত করেছে। কখনো কখনো রীতিমত টর্মেন্টিং।

অ্যাফ্রো-আমেরিকান মানসের, সম্ভবত, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ পাওয়া যাবে এই বইতে। ডু বইজ (ঢং করে ফ্রেঞ্চ কায়দায় দ্যু বোয়া বলতে যাচ্ছিলাম, পরে দেখলাম ডু বইজ সঠিক) অন্য একটা সময়ে বেঁচে ছিলেন, এমন একটা সময় যখন নিজের সন্তানকে ডিপথেরিয়ায় মরতে দেখতে হয় কোনো শ্বেতাঙ্গ চিকিৎসক তার চিকিৎসায় রাজি হয়নি বলে। সেই আমেরিকা আর নেই। তবে নতুন আমেরিকার শেতাঙ্গ মানসে এবং কৃষ্ণাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গ সম্পর্কের খুব বেশি উন্নতিও অবশ্য হয়নি। বলা যায়, বইজের অনেক উপসংহার এখনো প্রাসঙ্গিক।

প্রবন্ধগুলোয়(এবং একটি গল্পে) বিভিন্ন বিষয় এসেছে, সরো সং থেকে শুরু করে নিগ্রো শিক্ষা, নিগ্রো অর্থনীতি, নিগ্রো রাজনীতি(আমি অবমাননাকর অর্থে ‘নিগ্রো' ব্যবহার করছি না, বইজের মত করে বলছি), তাঁদের সমস্যা, তাদের বিশ্বাস, শক্তি ও দুর্বলতার বেশ নৈর্ব্যক্তিকভাবে তুলে ধরেছেন।

তবে আমার মর্ম স্পর্শ করেছে সিভিলাইজেশন এবং হিস্ট্রিকে করা বইজের চ্যালেঞ্জটা। প্রথাগত অ্যাংলোফিলিক(বা ইউরোফিলিক) যে সংজ্ঞা সভ্যতার, ইতিহাসের যে ন্যারেটিভ যাকে চ্যালেঞ্জ আজকাল চমস্কি বা হাওয়ার্ড জিন করেন ডু বইজ তা করেছেন, একইরকম কনভিকশন নিয়ে, কিন্তু আরো আগে।

...this has again and again been the result of carrying civilization and the blessed gospel to the isles of the sea and the heathen without the law. Nor does it altogether satisfy the conscience of the modern world to be told complacently that all this has been right and proper, the fated triumph of strength over weakness, of righteousness over evil, of superiors over inferiors. It would certainly be soothing if one could readily believe all this; and yet there are too many ugly facts for everything to be thus easily explained away. We feel and know that there are many delicate differences in race psychology, numberless changes that our crude social measurements are not yet able to follow minutely, which explain much of history and social development. At the same time, too, we know that these considerations have never adequately explained or excused the triumph of brute force and cunning over weakness and innocence.

So wofully unorganized is sociological knowledge that the meaning of progress, the meaning of “swift” and “slow” in human doing, and the limits of human perfectability, are veiled, unanswered sphinxes on the shores of science.

আমার জানা সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান মানুষদের মধ্যে বুদ্ধ একজন। অবশ্যই তার অনেক সিদ্ধান্ত ও বক্তব্যের সাথে আমি দ্বিমত রাখি। তবে, আসলে একজন দার্শনিকের মূল যোগ্যতা তার সময়কে ছাপিয়ে যাওয়ায়, ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টায়। পরম সত্যের ধারক-বাহক খুঁজতে গেলে ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে।

বৌদ্ধ গ্রন্থগুলি বিভিন্নসময় পড়া হয়েছে। আমি এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নই। ভিক্ষু রাহুল যা করেছেন তা হচ্ছে, বুদ্ধের একদম মূল দর্শন সর্বোচ্চ পরিমাণে অবিকৃত রেখে বলেছেন। রিফ্রেশার বলুন, বা বৌদ্ধ দর্শনের সাথে পরিচয়, উভয়ক্ষেত্রেই বেশ ভালো। বইটাতে কিছু পপুলার মিসকনসেপশন (কর্মফল ইত্যাদি) নিয়ে বেশ ভালো ব্যাখ্যা আছে।

বুদ্ধ, আমার মতে লিবারাল। অর্থাৎ, এথিক্সের মূলে মানুষের বিবেক তার কাছে অগ্রাধিকার পেয়েছে:

But, O Kālāmas, when you know for yourselves that certain things are unwholesome (akusala), and wrong, and bad, then give them up . . . And when you know for yourselves that certain things are wholesome (kusala) and good, then accept them and follow them.





Thought Provoking, to the point, funny.

Okayish. Not one of his notable ones I guess.

I've heard the echo of an age when a person cannot conciliate with God/gods anymore. No amount of metaphysics or theology won't help. No afterlife, and not even apparent justice is available. An uncompromising nihilism will strike:

At any streetcorner the feeling of absurdity can strike any man in the face. As it is, in its distressing nudity, in its light without effulgence, it is elusive.



বইটা বিজ্ঞানের, লেখক বড় মাপের কোয়ান্টাম ফিজিসিস্ট। তথ্যে, তথ্যের উৎস বিষয়ক কেয়ারফুলনেসের স্বাভাবিক ভাবেই ঘাটতি নেই। তবে স্পেকুলেশনগুলো কেবল বৈজ্ঞানিক না, অনেকক্ষেত্রে ফিলোসফিক্যালও ছিল। হাইজেনবার্গের ‘ফিজিক্স অ্যান্ড ফিলোসফি'র এই আরেকটা বই, যেখানে ট্রাডিশনাল ফিলোসফির সাথে সায়েন্সর মিথস্ক্রিয়া দেখলাম।

Witty. Informative. Intriguing.

"ছিল রুমাল, হয়ে গেল একটা বেড়াল।"



ছিল রেভোল্যুশনারি শিক্ষাতত্ত্বের বই, হয়ে গেল সমালোচনানির্ভর শিক্ষাতত্ত্বের (Critical Pedagogy) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বই। যা বলেছেন তার সবটাই যে অজানা, তা না। তবে ফর্মালি সেসব নিয়ে কথাবার্তা বলতে গেলে হয়ই না। হীরক রাজা যখন বলে যে, “এরা যত বেশি পড়ে, তত বেশি জানে, তত কম মানে।” তখন আমাদের একরকম বুদ্ধিবৃত্তিক অর্গাজম হয় বটে তবে শেষমেশ ও বিষয়ে তলিয়ে দেখি না। ইন্টেলেকচুয়াল যখন রাষ্ট্র বা ক্ষমতার ছায়ায় থাকে নিজেকে তাদের ক্ষমতার অংশ বলে ভ্রম হয় বৈকি। অতএব,

“Not infrequently, training course participants call attention to “the danger of conscientização” in a way that reveals their own fear of freedom. Critical consciousness, they say, is anarchic. Others add that critical consciousness may lead to disorder.”





This is indispensable indeed. Chomsky can get carried away sometimes, but the book is outstanding.

By far, it is Murakamish enough. Enjoyed thoroughly.

এইবছর পড়া সবচেয়ে ভালো বইগুলোর একটা। আমেরিকার ইতিহাস আমি পড়েছি বিচ্ছিন্নভাবে, আলাদা সময়ের কথা আলাদা ভাবে এবং তার সবটাই যাকে বলা যায় ‘বিজয়ীর ইতিহাস'। সাধারণ মানুষের ইতিহাস শুধু আমেরিকা না, সবদেশেই, সবকালেই অপ্রতুল।

আমার মনে হয় না এই বইটায় আমেরিকাকে ডিফেইম করা হয়েছে (যে যুক্তিতে অনেকে খারাপ রেটিং দিয়েছে বইটির)। আমার বরং মনে হয়েছে কনজারভেটিভ ও পাঁতি-কনজারভেটিভরা (ডেমক্র্যাট) যখন কনজারভেটিভ ও ক্যাপিটালিস্ট স্বার্থরক্ষায় ব্যস্ত সাধারণ মানুষ বরং প্রোগ্রেসিভ অ্যাটিটিউড দেখিয়েছে। সেটা বর্ণবাদ, নারী-স্বাধীনতা, সোশ্যাল সিকিউরিটি, প্যাসিফিস্ট মুভমেন্টস্ যেটাই হোক। রেড ইন্ডিয়ানরা এক্সটিন্ট হতে দেয়নি নিজেদের, কালারড্ মানুষেরা অধিকারের জন্য লড়ে যাচ্ছে। নির্মম অত্যাচারের মধ্যেও শ্রমিক ও কৃষকেরা আন্দোলন করেছে আবার একটা গাছকে বাঁচাবার জন্য পিটিশনও জমা দিয়েছে। ন্যাশনালিটির ক্রেজে যেমন ভুগেছে, প্রবল ন্যাশনালিটির ক্রেজের ভেতরেও প্যাসিফিস্ট ডেমোন্স্ট্রেশন চলেছে।

উপন্যাস, তবে সেমি-অটোবায়োগ্রাফিক। কিছু স্টেরিওটাইপ ভালো লাগে নাই। এবং, মাঝেমধ্যে মনে হয়েছে প্লাথ হয়ত রেসিস্ট ছিলেন।

অনেকে এই বইটিতে ‘ফেমিনিজম' পেয়েছেন, আমি পাইনি। অবশ্যই প্লাথ স্বাধীনচেতা। কিন্তু সেটা তার চাহিদা। ফেমিনিজম শুধুমাত্র সেই চাহিদাটা না। বরং, নারীদের সেই চাহিদা এবং তার অনুকূলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার যৌক্তিকতা বিষয়ক দর্শন ও আন্দোলন হচ্ছে ফেমিনিজম। বইটায় চাহিদাটা আছে, দর্শন নেই।

তিন তারা... হুম... পসিবলি এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল, এক্সট্রাডাইমেনশনাল বিয়িং ও ট্রাভেল নিয়ে অনেক সায়েন্স ফিকশন পড়া হয়ে গেছে বলে বেশি ভালো লাগেনি (হতে পারে সেসব সায়েন্স ফিকশনের অনেকগুলোই আসলে এই বই থেকে অনুপ্রাণিত)। এমনকি কখনো কখনো কাহিনী অনুমানও করতে পেরেছি।

Murakami always leaves a melancholic aftertaste unfailingly. This book is no exception in this case. I love how he spins his story and can sound anything perfectly believable.

Liked it, not loved it.

Poetic. Captivating. Rich an elegant in thoughts and the story.

Totally enjoyed. Clear, concise, deeply thought provoking and a modern philosophical approach to reconcile philosophy with science.

এইধরণের বইগুলো পড়লে একধরণের ইন্ট্রোস্পেকশন পাওয়া যায়। কিয়ের্কেগার্ড আমি আগে পড়েছি, বিভিন্ন সময়ে। সাহিত্যমান ভালো, তবে ফিলোসফির প্রধান যোগ্যতা সাহিত্যমান নয়। কিয়ের্কেগার্ডকে কখনোই আমার বেশি সুবিধার মনে হয় না। এটা পড়ার সময় আশা ছিল আর একজোড়া চোখ পাওয়া যাবে। গার্ডিনারকে বস্তুনিষ্ঠই মনে হয়েছে।

সাবজেক্টিভিটি নিয়ে কিয়ের্কেগার্ডের মতামত কখনোই আমার যথাযথ মনে হয় না। যা সাবজেক্টিভ এক্সপেরিয়েন্সের বাইরে ভ্যালিড না, তা আসলে কমিউনিকেট করাও সম্ভব না। কী দরকার তাহলে ক্রিশ্চিয়ানিটি নিয়ে এত কপচানোর?

যাহোক, কিয়ের্কেগার্ডকে আমার বরাবরই ওভাররেটেড লেগেছে, এটা পড়ার পর আমার মতের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

বইটার বয়স আমার চেয়ে অনেক বেশি। খুবই প্রাঞ্জল বই। মাঝেমধ্যে একটু বেশি স্ট্রেচড্ মনে হয়েছে। সম্ভবত, গণমানুষের বোধগম্যতার বিষয়ে নিশ্চিত হতেই এরকম।

শেষমেশ হৃদয়বিদারক। মাঝেমধ্যে হেসেছিও। তবে বর্তমান উপাচার্যদের প্রায়ই এই বইয়ের উপাচার্যের সাথে যে তুলনা করা হয় তা আমি মানতে নারাজ। এই উপাচার্য শয়তান না, কেবল মেরুদণ্ডহীন। বাস্তবের উপাচার্যেরা সরীসৃপ তো বটেই, সাক্ষাৎ শয়তান।

সেগানের লেখা হিসেবে তেমন সুবিধার না। আমি তার অন্যান্য বইয়ের মত এটা অতটা মজা লাগেনি। কোথাও একটু ঝুলেও গেছে মনে হয়েছে।

১৯৩৬-১৯৩৭ সাল। অরওয়েল সস্ত্রীক স্পেনে। স্পেনের সিভিল ওয়্যার চলছে তখন। ক্যাটালোনিয়ার আকাশে-বাতাসে সাম্যের গান। কেউ কাউকে বড়লোক বলে তোয়াজ করে না। কেউ গরীব বলে টিপসও নেয় না। জাতে ইংরেজ এই লেখক এসেছেন ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে। যুদ্ধে ফ্রন্টে গিয়েছেন দুইবার, শেষবার আহত হয়ে অল্পের জন্য বেঁচেও গিয়েছেন।

তো, এই যদি বইয়ের কন্টেন্ট হত, তাহলে অরওয়েল বোধকরি বইটাই লিখতেন না। কয়েকমাসের মধ্যে সোভিয়েত রাশিয়ার লেজুড় ধরা কমিউনিস্ট পার্টির অ্যানার্কিস্ট ও এন্টি-স্ট্যালিন কমিউনিস্ট পার্টিগুলোর বিরুদ্ধে নিকৃষ্টতম প্রোপাগান্ডা ও দমন-পীড়নের একটা ফার্স্টহ্যান্ড আইডিয়া আছে এই বইতে। দেখা গেলো কীভাবে প্রলেতারিয়েতের স্বার্থরক্ষার একটা দল ডানে সরতে সরতে কট্টর ডানপন্থী হয়ে যেতে পারে এবং প্রপাগান্ডা ও নিপীড়নে ফ্যাসিস্টদেরও ছাড়িয়ে যেতে পারে।সিভিল ওয়্যারের ইতিহাসের পপুলার ভার্সন, অর্থাৎ সোভিয়েত প্রণীত ভার্সনে বলা যেতে পারে তার ঠিক উল্টটা বলা।

এই বইটা না পড়লে 1984 এবং Animal Farm পড়ার পর অরওয়েলকে আপনার এন্টি-কমিউনিস্ট মনে হবে। আদতে জর্জ অরওয়েল কমিউনিজমের ভুত দেখেছেন। তিনি অ্যানার্কিস্ট, এবং সোশ্যালিস্টও বটে।

চমৎকার বই। লেখা সাবলীল। পপসায়েন্সের উৎকৃষ্ট উদাহরণ বলা যেতে পারে। ভদ্রলোকের রসবোধ তীক্ষ্ণ। এঁনার লেকচার যারা শোনেন তারা ভাগ্যবান।